ঢাকা ০২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাচোলে কৃষকের স্বপ্ন ধূলিসাৎ রাতের আঁধারে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার আমের গাছ ও পেঁপে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ *দিনাজপুরে প্রহরীকে হত্যা, ঘাতক গ্রেফতার* চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানিক- কথিত সাংবাদিক এসএম রুবেরসহ গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কুরিয়ার এজেন্সি থেকে ২ কেজি কথিত হেরোইন উদ্ধার মনাকষা সীমান্তে ৩৫ তরুণকে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মতবিনিময় সভা, সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জেলা প্রশাসকের *দিনাজপুরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার* দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শিক্ষক কে পিটিয়ে হত্যা: একজন আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২ কেজি ৬৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ৮৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

এনামুল হক নাসিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের লক্ষ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে বিএমডিএ’র বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, খাল-নদী ও বরেন্দ্র অঞ্চলের ফসলি মাঠ পরিদর্শন শেষে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান। হাসান জাফির তুহিন বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে দিন দিন ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এ কারণে সরকার ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গোমস্তাপুরের রহনপুরে মহানন্দা নদী থেকে পানি উত্তোলন করে খালে সংরক্ষণ এবং পরে সেই পানি কৃষিজমিতে সেচের কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার কয়েকটি উপজেলার কৃষকরা উপকৃত হবেন। কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে সম্মতি দিয়েছেন। আগামী অর্থবছর থেকেই প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিএমডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচকাজে বিদ্যুতের ব্যবহার বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে বরেন্দ্র অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০টি সেচপাম্প পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সেচকাজে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমবে। তিনি বলেন, খাল খননের মাধ্যমে নদী ও খালে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করা হবে। শুষ্ক মৌসুমে সেই পানি সেচকাজে ব্যবহার করা হবে। ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনাও রয়েছে।
পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান, রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদসহ বিএমডিএ’র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারে হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

আপডেট সময় : ১১:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

এনামুল হক নাসিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:

বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচকাজে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের লক্ষ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে বিএমডিএ’র বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, খাল-নদী ও বরেন্দ্র অঞ্চলের ফসলি মাঠ পরিদর্শন শেষে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান। হাসান জাফির তুহিন বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে দিন দিন ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এ কারণে সরকার ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গোমস্তাপুরের রহনপুরে মহানন্দা নদী থেকে পানি উত্তোলন করে খালে সংরক্ষণ এবং পরে সেই পানি কৃষিজমিতে সেচের কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁ জেলার কয়েকটি উপজেলার কৃষকরা উপকৃত হবেন। কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে সম্মতি দিয়েছেন। আগামী অর্থবছর থেকেই প্রকল্পটির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিএমডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচকাজে বিদ্যুতের ব্যবহার বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে বরেন্দ্র অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০টি সেচপাম্প পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সেচকাজে বিদ্যুতের ওপর নির্ভরতা কমবে। তিনি বলেন, খাল খননের মাধ্যমে নদী ও খালে বর্ষার পানি সংরক্ষণ করা হবে। শুষ্ক মৌসুমে সেই পানি সেচকাজে ব্যবহার করা হবে। ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনাও রয়েছে।
পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান, রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদসহ বিএমডিএ’র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।