ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাচোলে কৃষকের স্বপ্ন ধূলিসাৎ রাতের আঁধারে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার আমের গাছ ও পেঁপে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ *দিনাজপুরে প্রহরীকে হত্যা, ঘাতক গ্রেফতার* চাঁপাইনবাবগঞ্জে মানিক- কথিত সাংবাদিক এসএম রুবেরসহ গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কুরিয়ার এজেন্সি থেকে ২ কেজি কথিত হেরোইন উদ্ধার মনাকষা সীমান্তে ৩৫ তরুণকে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মতবিনিময় সভা, সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জেলা প্রশাসকের *দিনাজপুরে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার* দিনাজপুরের পার্বতীপুরে শিক্ষক কে পিটিয়ে হত্যা: একজন আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১২ কেজি ৬৫০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২

দিনাজপুরে প্রকৃতিজুড়ে শীতের আগমনী সুর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি


আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি :

সকালের শিশিরকণা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। দিন শেষে সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, তখন উত্তর জনপদের দিনাজপুর অঞ্চলে সন্ধ্যার পরই বদলে যেতে শুরু করে প্রকৃতি।
দুপুরের খরতাপ ও তীব্র রোদ মিলিয়ে যাওয়ার পর চারপাশে নেমে আসে নীরবতা ও শীতলতা। রাত যত গভীর হয়, উত্তরের হিমেল বাতাস ততই শীতের আগমনের আভাস দেয়। কার্তিকের এ সময়ে দিনাজপুরে আগাম শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেছে পথঘাট, মাঠ-প্রান্তর ও জনপদ।
দিনের বেলায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হলেও ভোরের সূর্য ওঠার আগে চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে ধোঁয়াটে কুয়াশার চাদরে। গাছের পাতা, মাকড়সার জাল ও ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু সকালের রোদে মুক্তার মতো ঝিকমিক করে ওঠে। প্রকৃতির এমন রূপবদল জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।
প্রকৃতির এ পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও। দিনের গরম কমে রাতের তাপমাত্রা নেমে আসায় অনেকেই অনুভব করছেন শীতের আমেজ। শীতের আগমনে বিকেলের দিকে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে শুরু হয়েছে পিঠাপুলির দোকান।
অন্যদিকে, ভোরের কুয়াশা উপেক্ষা করে মাঠে কাজে নেমে পড়ছেন কৃষিশ্রমিকেরা। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ভোরেই কাজে বের হতে হয় তাঁদের। তবে ভোরের দিকে কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডার কারণে কাজে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
বীরগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল জানান, কয়েক দিন আগেও এমন গরম ছিল যে দিন-রাত ফ্যান না চালালে ঘুমানো কঠিন হতো। এখন রাত গভীর হলেই হালকা ঠান্ডা অনুভূত হয়। তাই রাতে ফ্যান বন্ধ করে ঘুমাতে হচ্ছে।
কৃষিশ্রমিক রফিকুল ইসলাম বলেন, পেটের তাগিদে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যেতে হয়। কিন্তু এখন ভোরের দিকে কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডার মধ্যে কাজ করতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। দিনাজপুরের প্রকৃতিতে শিশিরভেজা ভোর, হালকা কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের উপস্থিতি ঋতু পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে। ধীরে ধীরে শীতের আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে উত্তর জনপদের জনজীবনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দিনাজপুরে প্রকৃতিজুড়ে শীতের আগমনী সুর

আপডেট সময় : ০২:০২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬


আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি :

সকালের শিশিরকণা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। দিন শেষে সূর্য যখন পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, তখন উত্তর জনপদের দিনাজপুর অঞ্চলে সন্ধ্যার পরই বদলে যেতে শুরু করে প্রকৃতি।
দুপুরের খরতাপ ও তীব্র রোদ মিলিয়ে যাওয়ার পর চারপাশে নেমে আসে নীরবতা ও শীতলতা। রাত যত গভীর হয়, উত্তরের হিমেল বাতাস ততই শীতের আগমনের আভাস দেয়। কার্তিকের এ সময়ে দিনাজপুরে আগাম শীতের হাওয়া ছুঁয়ে গেছে পথঘাট, মাঠ-প্রান্তর ও জনপদ।
দিনের বেলায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হলেও ভোরের সূর্য ওঠার আগে চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে ধোঁয়াটে কুয়াশার চাদরে। গাছের পাতা, মাকড়সার জাল ও ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দু সকালের রোদে মুক্তার মতো ঝিকমিক করে ওঠে। প্রকৃতির এমন রূপবদল জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।
প্রকৃতির এ পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও। দিনের গরম কমে রাতের তাপমাত্রা নেমে আসায় অনেকেই অনুভব করছেন শীতের আমেজ। শীতের আগমনে বিকেলের দিকে বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে শুরু হয়েছে পিঠাপুলির দোকান।
অন্যদিকে, ভোরের কুয়াশা উপেক্ষা করে মাঠে কাজে নেমে পড়ছেন কৃষিশ্রমিকেরা। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন ভোরেই কাজে বের হতে হয় তাঁদের। তবে ভোরের দিকে কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডার কারণে কাজে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
বীরগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদুল জানান, কয়েক দিন আগেও এমন গরম ছিল যে দিন-রাত ফ্যান না চালালে ঘুমানো কঠিন হতো। এখন রাত গভীর হলেই হালকা ঠান্ডা অনুভূত হয়। তাই রাতে ফ্যান বন্ধ করে ঘুমাতে হচ্ছে।
কৃষিশ্রমিক রফিকুল ইসলাম বলেন, পেটের তাগিদে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যেতে হয়। কিন্তু এখন ভোরের দিকে কুয়াশা ও হালকা ঠান্ডার মধ্যে কাজ করতে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। দিনাজপুরের প্রকৃতিতে শিশিরভেজা ভোর, হালকা কুয়াশা ও হিমেল বাতাসের উপস্থিতি ঋতু পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে। ধীরে ধীরে শীতের আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে উত্তর জনপদের জনজীবনে।