ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র উদ্যোগে সীমান্ত ডিজিটাল স্কিল সেন্টারের উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রাস্কফোর্স অভিযানে লিজেসিক ইনজেকশনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গোমস্তাপুরে র‍্যাবের অভিযানে ২২৮ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার পুলিশ সুপার কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন পুলিশ অফিস চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত সীমান্তে ৫৯ বিজিবির পৃথক পৃথক অভিযানে বিপুল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ শিবগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে নিহত ১ আহত ১ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্সে অত্যাধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন

প্রকাশ্যেই ঘুষ নিচ্ছেন জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা,ভিডিও ভাইরাল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ মাহমুদুল হাসান

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের মধ্যে নগদ অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে টেবিলের সামনে বসা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মো. মফিজুল ইসলাম নগদ অর্থ গ্রহণ করছেন। পরে তিনি সেই টাকা গুনে নিজের পকেটে রাখেন। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভূমি অফিসে কাজ করেন বলে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে নামজারি (খারিজ) করতে ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সেবার ক্ষেত্রে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

জামবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, একটি দলিলের খারিজের জন্য তার কাছে ৬ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে দুটি দলিলের জন্য ৯ হাজার টাকা দাবি করা হলে, কোনো উপায় না পেয়ে তিনি ওই অর্থ দিতে বাধ্য হন।

এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ঘুষের লেনদেন চলে আসছে। নির্ধারিত টাকার বাইরে অর্থ না দিলে অনেক সময় ফাইল আটকে রাখা হয় বলেও তাদের অভিযোগ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, “এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলুন।”

এ বিষয়ে ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হোসেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

প্রকাশ্যেই ঘুষ নিচ্ছেন জামবাড়িয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা,ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় : ০২:০১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ মাহমুদুল হাসান

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূমি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের মধ্যে নগদ অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একটি কক্ষে টেবিলের সামনে বসা এক সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে মো. মফিজুল ইসলাম নগদ অর্থ গ্রহণ করছেন। পরে তিনি সেই টাকা গুনে নিজের পকেটে রাখেন। তবে ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ভিডিওতে আরও দেখা যায়, ভূমি অফিসে কাজ করেন বলে পরিচয় দেওয়া এক ব্যক্তি দাবি করেন, কাগজপত্র ঠিক থাকলে নামজারি (খারিজ) করতে ৬ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সেবার ক্ষেত্রে ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

জামবাড়িয়া ইউনিয়নের সেবাগ্রহীতা মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, একটি দলিলের খারিজের জন্য তার কাছে ৬ হাজার টাকা চাওয়া হয়। পরে দুটি দলিলের জন্য ৯ হাজার টাকা দাবি করা হলে, কোনো উপায় না পেয়ে তিনি ওই অর্থ দিতে বাধ্য হন।

এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সেবাগ্রহীতা অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ঘুষের লেনদেন চলে আসছে। নির্ধারিত টাকার বাইরে অর্থ না দিলে অনেক সময় ফাইল আটকে রাখা হয় বলেও তাদের অভিযোগ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জামবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) মো. মফিজুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, “এ বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলুন।”

এ বিষয়ে ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হোসেন বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি আমরা প্রাথমিকভাবে তদন্ত করছি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”